কামসূত্র নয়, কামশাস্ত্রে দাম্পত্যের ব্যাপারে আরও গভীর তত্ত্ব পাওয়া যায়। মানসিক থেকে শারীরিক সম্পর্ক, সবকিছুর উপরেই নির্ভর করে সুস্থ দাম্পত্য। আর সেই প্রসঙ্গে দাম্পত্যের ব্যাপারে বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের কথা বলা হয়েছে কামশাস্ত্রে। স্ত্রী ঠিক কেমন হলে দাম্পত্য সুখের হয়, রয়েছে সেই গুনগুলিও। জেনে নিন:

১. স্বামী ও স্ত্রী’র পরিবারের মধ্যে কিছু মিল থাকা প্রয়োজন। আর যে পরিবারের উদার হিসেবে সুখ্যাতি রয়েছে, সেই পরিবারের মেয়েকেই বিয়ে করা উচিৎ।

২. স্ত্রী বুদ্ধিমতী হওয়া প্রয়োজন। আর বিশ্ব জুড়ে কি ঘটছে, সেব্যাপারে জ্ঞান থাকা দরকার। স্ত্রী’র শিক্ষা সমাজ ও পরিবারে উন্নতি নিয়ে আসে।

৩. স্ত্রী’কে তাঁর চারপাশের লোকজনের সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে হবে। যে কোনও স্তরের মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে।

৪. সামাজিক কর্তব্যের পাশাপাশি ধর্মকর্মে নিষ্ঠা থাকা উচিৎ একজন স্ত্রী’র। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে চলা উচিৎ।

৫. কণ্ঠস্বর হওয়া উচিৎ ধীর ও মধুর। লক্ষ্মীর মত টাকা সঞ্চয় করা উচিৎ, সরস্বতীর মত পবিত্র হওয়া উচিৎ ও পার্বতীর মত স্বামীর প্রতি নিষ্ঠাশীল হতে হবে।

৬. যে মহিলা ভাই-বোনদের সঙ্গে বড় হয়ে উঠেছেন, তার ধৈর্য্য অনেক বেশি হয়। তারা শিশুদের ভালোবাসতে পারে ও সম্পর্কের মর্যাদা দিতে পারে।

৭. ক্ষুধার্তকে যাদের খাওয়ানোর ইচ্ছা থাকে, তারা ভালো স্ত্রী হয়ে উঠতে পারে।

মর্নিং ওয়ার্কের ৮টি স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নিন

হাঁটা হলো সব ধরণের ব্যায়ামের মধ্যে সবচেয়ে উপকারী। প্রতিদিন সকালে অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট টানা হাঁটার অভ্যাস আছে অনেকেরই।

আর যাদের এই অভ্যাস নেই তাদেরও এই অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। কারণ প্রতিদিন সকালে মাত্র ২০-৩০ মিনিটের এই হাঁটা সারা দিন ভালো কাটাতে সাহায্য করে এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

তাই নিয়মিত আলো-বাতাস পূর্ণ যায়গায় আধা ঘন্টা করে হেঁটে নিন। প্রতিদিন হাঁটতে যাওয়ার আগে লক্ষ্য রাখুন আপনার পোশাকটি যথেষ্ট আরামদায়ক এবং হাঁটার উপযোগী কিনা।

হাঁটার আগে একটু ঢিলে ঢালা পোশাক পরে নিন। হাঁটার জন্য আরামদায়ক জুতো কিনে নিন। সঙ্গে অবশ্যই খাবার পানি রাখুন। প্রতি ১৫ মিনিট পর পর পানি খান অল্প করে।

তাহলে সকালের হাঁটার অভ্যাসটা উপভোগ্য হয়ে উঠবে। এবার তাহলে চলুন, মর্নিং ওয়ার্কের ৮টি স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নেয়া যাক।

আয়ু বাড়ে:

প্রতিদিন সকালের মর্নিং ওয়ার্কের সময় বিশুদ্ধ বাতাস ও সুন্দর পরিবেশ আপনার হৃৎপিণ্ড ও মনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। হাঁটার সময় হৃৎপিণ্ড শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করে। ফলে প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুস্থ ও সচল থাকে এবং মানুষ দীর্ঘজীবী হয়।

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়:

সকালে প্রতিদিন কিছুক্ষণ করে হাঁটলে ফুসফুসে তাজা বাতাস প্রবেশ করার সুযোগ পায়। এই বাতাস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে হৃৎপিণ্ড রক্তকে বিশুদ্ধ করে এবং অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত মস্তিষ্কে সরবরাহ করে। ফলে মস্তিষ্ক সচল থাকে এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে:

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে সকালে নিয়মিত হাঁটলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। নিয়মিত সকালে হাঁটলে রক্তের লোহিত কণিকাগুলো থেকে চর্বি ঝরে যায়। এছাড়াও হাঁটার সময় রক্তের ইন্সুলিন ও গ্লুকোজ ক্ষয় হয়। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত থাকে।

ত্বক ভালো করে:

প্রতিদিন সকালে হাঁটলে প্রচুর পরিমাণে ঘাম হয়। ফলে ত্বকের লোমকূপ গুলো খুলে যায় এবং শরীরের দূষিত পদার্থগুলো ঘামের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। ফলে ত্বক উজ্জ্বল ও লাবন্যময় দেখায়।

মেদ কমায়:

নিয়মিত সকালে হাঁটলে মেদ ভুড়ির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। হাঁটলে প্রচুর ক্যালরী ক্ষয় হয়। ফলে নিয়মিত কম ক্যালরীর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিন সকালে অন্তত ৩০ মিনিট করে হাটলে মেদ কমে এবং দেহের আকৃতি সুন্দর হয়।

দৃষ্টি শক্তি ভালো করে:

প্রতিদিন কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আমাদের চোখের বারোটা বেজে যাচ্ছে। চোখকে কিছুটা আরাম দিতে এবং চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিন সকালে হাঁটার বিকল্প নেই। গবেষণায় দেখা গেছে যে সকালে খালি পায়ে ঘাসের উপর হাঁটলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে।

মানসিক চাপ কমায়:

প্রতিদিন হাঁটতে বেড়িয়ে সকালের সুন্দর স্নিগ্ধতা উপভোগ করতে কার না ভালো লাগে বলুন! প্রতিদিন সকালের সুন্দর পরিবেশ ও কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি আপনার মন ভালো করে দিতে পারে নিমিষেই।

প্রতিদিন সকালে কিছুক্ষণ হেটে আসলে সারাদিন কাজের উৎসাহ বাড়ে এবং মানসিক চাপ কমে যায়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:

প্রতিদিন সকালে হাঁটলে শরীরের প্রতিটি কোষে বিশুদ্ধ রক্ত এবং অক্সিজেন পৌছে যায়। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং সহজেই অসুখে পরার প্রবণতা কমে।

দারুণ মজাদার হোয়াইট সস পাস্তার সহজ রেসিপি

আজকের রেসিপি আয়োজনে রয়েছে দারুণ মজাদার হোয়াইট সস পাস্তার সহজ রেসিপি।  আপনাদের কে দেখাবে কি ভাবে তৈরি করবেন দারুন মজার এই রেসিপিটি । খুব সহজে এবং তাড়াতাড়ি এই পদটি তৈরি করা যায়। চলুন জেনে নিই, কী কী উপকরণ লাগবে এই রেসিপিতে এবং কীভাবে তৈরি করবেন দারুণ মজাদার হোয়াইট সস পাস্তার সহজ রেসিপি

উপকরণ

• পাস্তা- ২৫০ গ্রাম,

• কচি বাঁধাকপি স্লাইস- ১/২ কাপ,

• বেবি কর্ণ- ১/২ কাপ,

• মটর্শুঁটি- ১/২ কাপ,

•হাড়ছাড়া মাংস অথবা টুনা মাছ- ৫০ গ্রাম,

• তরল দুধ- ১ কাপ,

• ময়দা- ২ টেবিল চামচ,

• সাদা গোলমরিচ গুঁড়ো, কাল গোলমরিচ গুঁড়ো, স্বাদ লবণ- পরিমাণ মত,

• মিহি রসুন কুচি- ১/২ চা চামচ,

• মাখন, অলিভ ওয়েল- পরিমাণ মত।

প্রণালী

*একটি পাত্রে মাখন গরম করুন এবং রসুন কুচি দিন।

*এবার চামচ দিয়ে উপরে ময়দা ছিটিয়ে দিন।

*হাল্কা বাদামী হলে দুধ এবং অল্প পানি দিয়ে নাড়তে থাকুন।

*ঘন হয়ে সসের মত হলে চুলার জ্বাল নিভিয়ে দিন এবং সাদা গোলমরিচ গুঁড়ো ছিটিয়ে দিন। আলাদা পাত্রে তুলে রাখুন।

*এবার একটি পাত্রে পানি, লবণ আর অলিভ অয়েল দিয়ে পাস্তা বয়েল করুন, হয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে একপাশে রাখুন।

*ফ্রাইপ্যানে আরেকটু তেল, লবণ দিয়ে মুরগীর টুকরোগুলো ভেজে নিন, তারপর একে একে সবজিগুলো দিন, স্বাদলবণ যোগ করুন।

*এরপর তাতে পাস্তা ঢেলে দিন ও কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করুন

*এবার চুলা থেকে নামিয়ে হোয়াইট সস আর কাল গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে সুন্দর করে পরিবেশন করুন।

…প্রথম প্রথম হোয়াইট সস করতে গেলে অনেকেই ময়দাটা দলা পাকিয়ে ফেলেন, সেক্ষেত্রে নামিয়ে ছেঁকে নিন অথবা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন। এই রেসিপিটাতে নানা রংয়ের সবজি ব্যবহার না করে বরং বেছে নিন সাদা সবজি গুলো। যারা একটু স্পাইসি ভাব আনতে চান, তারা পরিবেশণের সময় পাস্তার উপর লালমরিচ কুচি, বিলেতি ধনেপাতা কুচি দিতে পারেন।

Comments

comments